সাতাইশ নামে গাজীপুরে একটা গ্রাম আছে। যে গ্রামের এক বাড়িতে প্রায়
সবকয়টা মেয়েকেই আমি এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখেছি। একসময় সে ঘর অন্ধকার করে
সেই ঘরে ভয়ানকভাবে চিৎকার করে, কাঁপুনি দিতে থাকে কাঁথা গায়ে দিয়ে,
কাপড়-চোপড় সব খুলে ফেলে। কখনো হাসতে থাকে । তখন বাড়ির সবাই খুবই
আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। তাদের কাছে জানতে চাইলাম ঘটনা কি?
তাদের উত্তর "ওকে জ্বীনে ধরেছে"। বললাম আর কাউকে তো ধরে না, ওকে ধরেছে কেন? তাদের কথা হলো যারা আল্লাওয়ালা মানুষ তাদের সাথে জ্বীন ভাবসাব করে বেশি।
এখনো কোন কোন অঞ্চলে দেখা যায় মেয়েদের জ্বীনে ধরে, ভুতে ধরে কিন্তু গড়পড়তায় ছেলেদের তেমন ধরে না। আসলে এটা একটা রোগ, নাম হিস্টিরিয়া। মেয়েরা এই রোগে আক্রান্ত হয় বেশি কিন্তু ছেলেরা কম হয়।
তাদের উত্তর "ওকে জ্বীনে ধরেছে"। বললাম আর কাউকে তো ধরে না, ওকে ধরেছে কেন? তাদের কথা হলো যারা আল্লাওয়ালা মানুষ তাদের সাথে জ্বীন ভাবসাব করে বেশি।
এখনো কোন কোন অঞ্চলে দেখা যায় মেয়েদের জ্বীনে ধরে, ভুতে ধরে কিন্তু গড়পড়তায় ছেলেদের তেমন ধরে না। আসলে এটা একটা রোগ, নাম হিস্টিরিয়া। মেয়েরা এই রোগে আক্রান্ত হয় বেশি কিন্তু ছেলেরা কম হয়।
কারণ কি?
আসলে এই ট্র্যাডিশনটা তাদের পরিবারের সব মেয়েদের ভেতরই দেখেছি। অবদমিত কাম-ক্ষোভ-রাগ-দুঃখ-কষ্ট থেকেই মানুষের ভেতর তৈরি হতে থাকে বিষাদ বা হতাশা। আর সেখান থেকেই মানসিক এই রোগের উৎপত্তি।
নাজমা খালাকে বিয়ের পরেও দেখেছি সবাইকে বলতো তার সাথে জ্বীন আছে, মাঝে মাঝে সে এসে তার উপর ভর করে। তখন খালা কাপড়-চোপড় সব খুলে উলঙ্গ হয়ে যায়। তার স্বামী-বাচ্চারা তখন দরজা-জানালা বন্ধ করে তাকে আটকে রাখে একটা রুমে। একসময় টায়ার্ড হয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম থেকে উঠলে তাকে স্বাভাবিক লাগে। আসলে বিয়ের পরও নাজমা খালা স্বামীকে দিয়ে শারিরিক সুখী হতে পারেনি, তার অবদমিত কাম থেকে মানসিক যে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়েছে তাই মাঝে মাঝে প্রকট রূপ ধারণ করে।
যারা ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান বিশ্বাস করে তারা জ্বীন, মন্দ আত্মা, ভুত বিশ্বাস করতে বাধ্য কারণ তাদের ধর্মগ্রন্থেই এই বিষয়গুলোর উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন হলো এই বিষয়গুলো বিজ্ঞানের এই আধুনিক যুগে প্রমানিত হয়ে গেছে যে কি কি কারণে মানুষ এই রোগগুলোতে আক্রান্ত হয়...জ্বীনে-ভুতে ধরা আসলে কি? এরপরেও কি এগুলো বিশ্বাস করা যায়? যদি না যায় তাহলে কি ধর্মগ্রন্থের এই বিষয়গুলো ভুল হয়ে যায় না?
আসলে এই ট্র্যাডিশনটা তাদের পরিবারের সব মেয়েদের ভেতরই দেখেছি। অবদমিত কাম-ক্ষোভ-রাগ-দুঃখ-কষ্ট থেকেই মানুষের ভেতর তৈরি হতে থাকে বিষাদ বা হতাশা। আর সেখান থেকেই মানসিক এই রোগের উৎপত্তি।
নাজমা খালাকে বিয়ের পরেও দেখেছি সবাইকে বলতো তার সাথে জ্বীন আছে, মাঝে মাঝে সে এসে তার উপর ভর করে। তখন খালা কাপড়-চোপড় সব খুলে উলঙ্গ হয়ে যায়। তার স্বামী-বাচ্চারা তখন দরজা-জানালা বন্ধ করে তাকে আটকে রাখে একটা রুমে। একসময় টায়ার্ড হয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম থেকে উঠলে তাকে স্বাভাবিক লাগে। আসলে বিয়ের পরও নাজমা খালা স্বামীকে দিয়ে শারিরিক সুখী হতে পারেনি, তার অবদমিত কাম থেকে মানসিক যে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়েছে তাই মাঝে মাঝে প্রকট রূপ ধারণ করে।
যারা ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান বিশ্বাস করে তারা জ্বীন, মন্দ আত্মা, ভুত বিশ্বাস করতে বাধ্য কারণ তাদের ধর্মগ্রন্থেই এই বিষয়গুলোর উল্লেখ আছে।
প্রশ্ন হলো এই বিষয়গুলো বিজ্ঞানের এই আধুনিক যুগে প্রমানিত হয়ে গেছে যে কি কি কারণে মানুষ এই রোগগুলোতে আক্রান্ত হয়...জ্বীনে-ভুতে ধরা আসলে কি? এরপরেও কি এগুলো বিশ্বাস করা যায়? যদি না যায় তাহলে কি ধর্মগ্রন্থের এই বিষয়গুলো ভুল হয়ে যায় না?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন