বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫

বিজ্ঞান জয়ী হচ্ছে , হারিয়ে যাচ্ছে বেদে পেশা শিঙ্গা, ঝাকফুক, লতা-পাতার ঔষধ তাবিজ-কবজ :
আদিকাল থেকে বেদে নারীরা চুড়ি-ফিতা-খেলনা বিক্রি, শিঙ্গা লাগানো, দাঁতের পোকা তোলা, তাবিজ-কবজ বিক্রি, সাপেকাটা রোগীর চিকিৎসা, সাপের খেলা দেখানো, সাপের ব্যবসা করা, আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য সেবাদান, ভেষজ ওষুধ বিক্রি, মৃত পশুর শরীরের অংশ এবং গাছ-গাছড়ার ওষুধ তৈরি করে বিক্রি, বানরখেলা ও জাদু দেখানো, মাছ ধরা, পাখি শিকার ইত্যাদি হরেক উপায়ে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এখন মানুষ সচেতন হচ্ছে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় চিকিৎসাব্যবস্থা এখন উন্নত হয়েছে । মানুষ জানতে পারছে এইসব তুকতাক ভড়ং -এ মানুষের সত্যিকারে কোন উপকার হয় না বরং বেশি দেরি হলে ক্ষতিই হয়ে যায়, বরং হিতে বিপরিতও হতে পারে। যেমন ওরা এই সিঙ্গার ভেতর দিয়ে যে ফ্লুয়িডটা আক্রান্ত অংশে পাঠায় সেটা মুখের নিঃসৃত পানের পিক বা থুথু, সেটাই আবার টেনে নেয় ভেতরে। তারপর বুঝাতে চায় অনেক বাতের রস বের হয়েছে শরীর থেকে ...এভাবেই মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সুপ্রাচীনকাল থেকে এই ব্যবসা ওরা টিকিয়ে রেখেছিল বাঁচার সংগ্রামে।
এখন আর তা পারে না, ওরা এখন আরো হতদরীদ্র হয়ে পড়েছে, জনগন এগুলো করতে না চাইলে, তারা রীতিমত ভিক্ষাবৃত্তি করে পেটের তাগিদে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন