শেষ নেই যার, সময়ের হিসেব
শুরু হলো যাত্রা অনির্দিষ্ট
এয়ারপোর্ট হয়ে গুলশান হয়ে কাওরান বাজার
পাক্কা ৫ ঘন্টার সমূদ্র যাত্রা, বিরামহীন
কদিনের অবিরাম টাইমিং বৃষ্টি মূষলধারে
ঢাকা শহরের খানাখন্দ ভরে ওঠে নিমিষেই
শুরু হয় গাড়ি জ্যাম, প্রতিদিনের অসহ যন্ত্রনা
থেমে যায় ইঞ্জিন বিকট স্বরে
বিকল মাইক্রো পড়ে থাকে রাস্থার ধারে
থই থই পানি একুল ওকূল
মাথায় ঝরে পানি অবিরাম, নেই কোন শূন্য বাহন
অগত্যা হন্টন ছাড়া উপায় হীন
তবুও থেমে নেই অকূল যাত্রা অথবা জীবন চর্চ্চা
জানা শোনা, প্রেম আবেগ বা লেনদেন
হাটু পানি পেরিয়ে, বিশাল রাস্তা পারাপার
আলোকিত শহরের ফুটপাতে হাত ধরে
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০০৯
সহযাত্রী
কাকডাকা ভোরে ঘুম ভেঙ্গে ওঠে পাখি
ছোটে আহারের সন্ধানে, একটু দেরীতেই
হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে, খাদ্যের প্রাচূর্য্য
এমনি প্রতিযোগীতার জীবন-যাপন
কঠিন জীবন পছন্দের এই ক্ষনে
বাস যাত্রা ছাড়া আন্য কোন পথহীন
দৌড়ে, মানুষের ভীড় ঠেলে বাসে ওঠা
সে এক ভয়ানক প্রতিযোগিতা
মানুষের ভেতর মরে গেছে নৈতিকতার প্রলেপ
ভ্রুক্ষেপহীন সহযাত্রীর নির্মমতা,
কখনো পথিমধ্যে গড়ে ওঠে সখ্যতা
লেনদেন হয় বাক্যালাপের মধ্য দিয়ে
টিকেট চেকার সুবিধা বুঝে বেশী পয়সা লুটে
ক্ষিপ্ত যাত্রী তেরিয়া হয়ে বেসামাল গাল দেয়
অতিরিক্ত পয়সার লোভে বা দিক ঘেষে চলে
সুযোগ পেলেই যাত্রী উঠিয়ে ফেলে
ছোটে আহারের সন্ধানে, একটু দেরীতেই
হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে, খাদ্যের প্রাচূর্য্য
এমনি প্রতিযোগীতার জীবন-যাপন
কঠিন জীবন পছন্দের এই ক্ষনে
বাস যাত্রা ছাড়া আন্য কোন পথহীন
দৌড়ে, মানুষের ভীড় ঠেলে বাসে ওঠা
সে এক ভয়ানক প্রতিযোগিতা
মানুষের ভেতর মরে গেছে নৈতিকতার প্রলেপ
ভ্রুক্ষেপহীন সহযাত্রীর নির্মমতা,
কখনো পথিমধ্যে গড়ে ওঠে সখ্যতা
লেনদেন হয় বাক্যালাপের মধ্য দিয়ে
টিকেট চেকার সুবিধা বুঝে বেশী পয়সা লুটে
ক্ষিপ্ত যাত্রী তেরিয়া হয়ে বেসামাল গাল দেয়
অতিরিক্ত পয়সার লোভে বা দিক ঘেষে চলে
সুযোগ পেলেই যাত্রী উঠিয়ে ফেলে
অদেখা
পৃথিবীকে দেখা হয়নি প্রকাশ্যে কখনো,
যাইনি কোন নিষিদ্ধ এলাকায়
সমাজ সংসারের বিপরিতে, নিজস্ব বলয়ের বাইরে
হঠাৎ এল প্রচন্ড ঘূর্নিঝর এলোমেলো
সীমানা হারিয়ে গেল, দেখা হলো অনেক বিষয়
কোনটাই আকর্ষন করে না, সবকিছুতেই কৃত্রিমতা
ব্রিটিশ পরিমন্ডলে ছেয়ে আছে মানষিকতা
মন সরে যায় বাস্তবতার এই হালে
কফি হাউসের অদেখা আড্ডা বা ঢাকা ক্লাবের গল্প
কি নিদারুন আকর্ষনে টেনে রাখতো সূতো
এখন অর্থহীন মনে হয় বুদ্ধিজীবী বলা ভাষন
যা শুধুই মুখের বুলি আনর্থক
যাইনি কোন নিষিদ্ধ এলাকায়
সমাজ সংসারের বিপরিতে, নিজস্ব বলয়ের বাইরে
হঠাৎ এল প্রচন্ড ঘূর্নিঝর এলোমেলো
সীমানা হারিয়ে গেল, দেখা হলো অনেক বিষয়
কোনটাই আকর্ষন করে না, সবকিছুতেই কৃত্রিমতা
ব্রিটিশ পরিমন্ডলে ছেয়ে আছে মানষিকতা
মন সরে যায় বাস্তবতার এই হালে
কফি হাউসের অদেখা আড্ডা বা ঢাকা ক্লাবের গল্প
কি নিদারুন আকর্ষনে টেনে রাখতো সূতো
এখন অর্থহীন মনে হয় বুদ্ধিজীবী বলা ভাষন
যা শুধুই মুখের বুলি আনর্থক
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)