আজ খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য খুব কষ্টের একটা দিন...এই দিনে তাদের ধর্মগুরু যীশুখ্রীষ্টকে মেরে ফেলা হয়....
তার মানে এখানেও সেই ধর্মের যুদ্ধ
যীশু তার নতুন মত প্রচার করছিলেন যা সে সময়ের কিছু মানুষ মেনে নিতে পারেন নি, মেরে ফেললো প্রকাশ্যে।
এভাবেই সময়ের সাথে সাথে জ্ঞানী ও যুক্তিবাদি মানুষ কিছু ভ্রান্ত মতবাদ পরিবর্তন করতে চেয়েছে আর তখন তার কিছু অনুসারী তৈরি হয়েছে। পূর্বের কিছু অনুসারী সেটা মেনে নেয়নি, যুদ্ধ করেছে এবং সেগুলো এখনো অব্যাহত আছে...তাই এখন এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন অনুসারী...যারা এখনো নিজের মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করতে অমানুষের মত পশুবৃত্তির বশে খুনাখুনি করে যাচ্ছে...এখানে ঈশ্বর কোথায়? উনিই কি তবে চাচ্ছেন এভাবে সবাই তাকে ভাগাভাগি করুক?
তার মানে এখানেও সেই ধর্মের যুদ্ধ
যীশু তার নতুন মত প্রচার করছিলেন যা সে সময়ের কিছু মানুষ মেনে নিতে পারেন নি, মেরে ফেললো প্রকাশ্যে।
এভাবেই সময়ের সাথে সাথে জ্ঞানী ও যুক্তিবাদি মানুষ কিছু ভ্রান্ত মতবাদ পরিবর্তন করতে চেয়েছে আর তখন তার কিছু অনুসারী তৈরি হয়েছে। পূর্বের কিছু অনুসারী সেটা মেনে নেয়নি, যুদ্ধ করেছে এবং সেগুলো এখনো অব্যাহত আছে...তাই এখন এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন অনুসারী...যারা এখনো নিজের মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করতে অমানুষের মত পশুবৃত্তির বশে খুনাখুনি করে যাচ্ছে...এখানে ঈশ্বর কোথায়? উনিই কি তবে চাচ্ছেন এভাবে সবাই তাকে ভাগাভাগি করুক?
যারা এসব নিয়ে উন্মুক্ত দৃষ্টিতে চিন্তাভাবনা করে তারা বুঝে গেছে সারমর্ম...ঝেড়ে ফেলেছে সব ধর্মীয় মতবাদ।
সবচেয়ে বড় কথা সময়ের সাথে সাথে মানুষের জ্ঞানবুদ্ধি, চিন্তা-চেতনার বিকাশ না হলেই এমন হয়।
সবচেয়ে বড় কথা সময়ের সাথে সাথে মানুষের জ্ঞানবুদ্ধি, চিন্তা-চেতনার বিকাশ না হলেই এমন হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন