টেকনাফে
নেমে যে রিক্সায় করে হোটেলে গেলাম তার কাছে জানতে চাইলাম এখানকার
উল্লেখযোগ্য কি কি আছে যা দেখা যায়। সে জানালো,"আমি বিকেলে আপনাদের নিয়ে
যাব সব জায়গায়।"
টেকনাফের বিচটা দেখে তেমন আপ্লুত হইনি, কারণ সেখানে ভেজা ভেজা মাটি, মাছের গন্ধ আর সারি সারি মাছধরার সুন্দর নৌকা/ট্রলারই বেশি, অনেকটা পথ ও গ্রাম পেরিয়ে বিচে যেতে হয়। বিচ হিসেবে তেমন সুন্দর না হলেও আসেপাশের নির্জন গ্রাম দেখতে ভাল লেগেছে। তারপর সেখান থেকে গেলাম ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ দেখতে। যেটা নিয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে যা নিয়ে আবার স্থানীয় রাখাইনদের ভেতর মতবিরোধও আছে।
টেকনাফের বিচটা দেখে তেমন আপ্লুত হইনি, কারণ সেখানে ভেজা ভেজা মাটি, মাছের গন্ধ আর সারি সারি মাছধরার সুন্দর নৌকা/ট্রলারই বেশি, অনেকটা পথ ও গ্রাম পেরিয়ে বিচে যেতে হয়। বিচ হিসেবে তেমন সুন্দর না হলেও আসেপাশের নির্জন গ্রাম দেখতে ভাল লেগেছে। তারপর সেখান থেকে গেলাম ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ দেখতে। যেটা নিয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে যা নিয়ে আবার স্থানীয় রাখাইনদের ভেতর মতবিরোধও আছে।
গল্পটা এমন বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে দেশের সর্ব দক্ষিন অবস্থিত সীমান্ত
এলাকা টেকনাফ থানায় বদলী হয়ে আসে ধীরাজ ভট্টাচার্য নামের এক সুদর্শন পুলিশ
অফিসার। তৎকালিন সময়ে অনেকটা দুর্গম ও ভয়ংকর জায়গা ছিল টেকনাফ। আর পুলিশের
দারোগা ধীরাজ চাকরী করতে আসে সুদূর কলকাতা থেকে। ধীরাজবাবু তার কাজের ফাঁকে
প্রায় সময় থানার বারান্দায় চেয়ার নিয়ে বসে থাকতেন। তখন পুরো টেকনাফ জুড়ে
এটিই ছিল একমাত্র পাতকুয়া। টেকনাফ থানা কম্পাউন্ডে ছিল বিশাল এই পানির কূপ।
যেখানে প্রতিদিন পানি নিতে আসতো আশপাশের রাখাইন যুবতীরা। রং বেরংয়ের পোষাক
পড়ে পাতকুয়া থেকে কলসী হাতে পানি নিতে আসা এসব সুন্দরী রাখাইন যুবতীর মৃদু
কন্ঠে ভেসে আসা সুরেলা গান শুনে মুগ্ধ হন দারোগা ধীরাজ।
এখানকার জমিদার ওয়াং থিনের একমাত্র রূপবতী কন্যা নাম তার মাথিন। মাথিনও প্রতিদিন সকালে সেই কূপ থেকে জল নিতে আসতো, আর ধীরাজবাবু থানার বারান্দায় বসে মাথিনের আসা-যাওয়া দেখতো। একসময় দুজনের মধ্যে গড়ে উঠে ভালবাসার সম্পর্ক। সম্ভব অসম্ভব নানা জল্পনা কল্পনার স্বপ্ন জালে আবদ্ধ হয় ধীরাজ ও মাথিন। ইতোমধ্যে দুজনের প্রেমের কথা সবাই জেনে যায়। নানা বাধা সত্ত্বেও দুজনের মধ্যে বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়।
এরই মাঝে কলকাতা থেকে বাবার চিঠি আসে ধীরাজের কাছে। কলকাতা যেতে হবে একমাসের ছুটি নিয়ে। ছুটি না মিললে চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে হলেও যেতে হবে। ধীরাজ সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় যাবেন। সিদ্ধান্তের কথা মাথিনকে জানানো হলো। মাথিন রাজি হলেন না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে ধীরাজ এক সন্ধ্যায় টেকনাফ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।
ধীরাজের এভাবে চলে যাওয়াকে প্রেমিকা মাথিন সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। মাথিনের মনে হলো বাবার অসুখের কারণ দেখিয়ে ধীরাজ বরং বিয়ে করার ভয়েই পালিয়েছেন। প্রাণপুরুষ ধীরাজকে হারিয়ে মাথিন অন্ন-জল ত্যাগ করে হন শয্যাশায়ী। জমিদার বাবা ওয়াথিনসহ পরিবারের সদস্যরা শতো চেষ্টা করেও মাথিনকে অন্ন-জল ছোঁয়াতে পারেননি। তার এককথা-ধীরাজকে চাই। প্রেমের এই বিচ্ছেদে এবং অতিকষ্টে একদিন মাথিন মারা যান।
ধীরাজ-মাথিনের প্রেম নিদর্শন দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমান অনেক মানুষ। অনেকে এসে আবেগাপ্লুতও হয়ে পড়েন। সেখানকার একটা বোর্ডে এ কাহিনী লেখা আছে।
তবে আমার মতে যখনই বিয়ের জন্য মাথিনের পরিবার থেকে ধীরাজকে চাপ দেয়া হয় তখনই আসলে ধীরাজ সেই অঞ্চল থেকে পালিয়ে যায়, কিন্তু বোকা মেয়ে মাথিন সেটা বুঝতে পারেনি সে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রানটাই বিসর্জন দিল।
কিন্তু ধীরাজ পুলিশের চাকরী ছেড়ে দিয়ে সিনেমা জগতে ঢোকে এবং কয়েকবছরে অনেক ছবি করে যান।
এখানকার জমিদার ওয়াং থিনের একমাত্র রূপবতী কন্যা নাম তার মাথিন। মাথিনও প্রতিদিন সকালে সেই কূপ থেকে জল নিতে আসতো, আর ধীরাজবাবু থানার বারান্দায় বসে মাথিনের আসা-যাওয়া দেখতো। একসময় দুজনের মধ্যে গড়ে উঠে ভালবাসার সম্পর্ক। সম্ভব অসম্ভব নানা জল্পনা কল্পনার স্বপ্ন জালে আবদ্ধ হয় ধীরাজ ও মাথিন। ইতোমধ্যে দুজনের প্রেমের কথা সবাই জেনে যায়। নানা বাধা সত্ত্বেও দুজনের মধ্যে বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়।
এরই মাঝে কলকাতা থেকে বাবার চিঠি আসে ধীরাজের কাছে। কলকাতা যেতে হবে একমাসের ছুটি নিয়ে। ছুটি না মিললে চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে হলেও যেতে হবে। ধীরাজ সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় যাবেন। সিদ্ধান্তের কথা মাথিনকে জানানো হলো। মাথিন রাজি হলেন না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে ধীরাজ এক সন্ধ্যায় টেকনাফ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।
ধীরাজের এভাবে চলে যাওয়াকে প্রেমিকা মাথিন সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। মাথিনের মনে হলো বাবার অসুখের কারণ দেখিয়ে ধীরাজ বরং বিয়ে করার ভয়েই পালিয়েছেন। প্রাণপুরুষ ধীরাজকে হারিয়ে মাথিন অন্ন-জল ত্যাগ করে হন শয্যাশায়ী। জমিদার বাবা ওয়াথিনসহ পরিবারের সদস্যরা শতো চেষ্টা করেও মাথিনকে অন্ন-জল ছোঁয়াতে পারেননি। তার এককথা-ধীরাজকে চাই। প্রেমের এই বিচ্ছেদে এবং অতিকষ্টে একদিন মাথিন মারা যান।
ধীরাজ-মাথিনের প্রেম নিদর্শন দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমান অনেক মানুষ। অনেকে এসে আবেগাপ্লুতও হয়ে পড়েন। সেখানকার একটা বোর্ডে এ কাহিনী লেখা আছে।
তবে আমার মতে যখনই বিয়ের জন্য মাথিনের পরিবার থেকে ধীরাজকে চাপ দেয়া হয় তখনই আসলে ধীরাজ সেই অঞ্চল থেকে পালিয়ে যায়, কিন্তু বোকা মেয়ে মাথিন সেটা বুঝতে পারেনি সে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রানটাই বিসর্জন দিল।
কিন্তু ধীরাজ পুলিশের চাকরী ছেড়ে দিয়ে সিনেমা জগতে ঢোকে এবং কয়েকবছরে অনেক ছবি করে যান।





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন