নারী মানেই এ সমাজে পরগাছা বা পরজীবী। তাকে বাঁচতে হবে সবসময় কিছু না
কিছুকে আঁকড়ে ধরে। স্বাধীনভাবে তার চলার, বলার কোনই স্বাধীনতা এখনো এ দেশে
দিতে অনিচ্ছুক।
এই যেমন গত ২২ তারিখে সেন্টমার্টিন যাবার পথে জাহাজে প্রায় ৩ ঘন্টা দোতলায় অনেকগুলো পরিবারের সাথে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছি। সব পরিবারের স্বামী, স্ত্রী, বাচ্চারা। আর ইয়াং ছেলেরা দল বেঁধে যাচ্ছে কিন্তু কোন ইয়াং মেয়েদের গ্রুপে যাওয়া দেখিনি। অফিসিয়াল গ্রুপ যারা যাচ্ছে তাদের ভেতরও অবশ্য মেয়ে দেখি নি তেমন।
সবারই দেখলাম আমাদের নিয়ে আগ্রহ, বিশেষ করে নারীদের কারণটা আর কিছু নয় কিভাবে আমরা একা যাচ্ছি। কক্সবাজারে যাবার পথে বাসে তো একজন বলেই ফেললো, " কখনো আমি আমার মেয়েকে নিয়ে একা ঘুরতে পারবো না, অসম্ভব। " আর জাহাজে ওই ভদ্রমহিলা বারবার জানতে চাচ্ছে কিভাবে একা যাচ্ছি? স্বামী কোথায়, কি করে? আমি বললাম সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত সুতরাং সেন্ট মার্টিন দেখার আগ্রহ আমাদের তাই আমরা দুজনেই যাচ্ছি। কেন এতে কি কোন সমস্যা আছে?
আমারতো খুবই ভাল লাগছে, আমার মতো করে আমি স্বাধীনভাবে বেড়াচ্ছি, যা ইচ্ছে তা খাচ্ছি, নিজের মতো করে যেখানে ইচ্ছে সেখানে যাচ্ছি...আমিতো কোন সমস্যায় পড়ছি না? তখন ১৯৯৭ সালের কথা মনে হলো। বিয়ের পর জীবনের প্রথম কক্সবাজার যাওয়া। স্বামীর বন্ধুদের পরিবারের গ্রুপ। নিজের কোনই স্বাধীনতা নেই। যা খাব তার ইচ্ছায়। কেনাকাটা করবো তাও তার ইচ্ছায়। সারাক্ষণ সে তার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেয়া, মদ খাওয়া নিয়ে আনন্দে ব্যস্ত অথচ আমাদের কোনই স্বাধীনতা নেই নিজের মতো করে একা ঘুরে বেড়াবার। সেই গ্রুপে নারীদের কারোই তেমন কোন স্বাধীনতা দেখি নি।
এই যেমন গত ২২ তারিখে সেন্টমার্টিন যাবার পথে জাহাজে প্রায় ৩ ঘন্টা দোতলায় অনেকগুলো পরিবারের সাথে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছি। সব পরিবারের স্বামী, স্ত্রী, বাচ্চারা। আর ইয়াং ছেলেরা দল বেঁধে যাচ্ছে কিন্তু কোন ইয়াং মেয়েদের গ্রুপে যাওয়া দেখিনি। অফিসিয়াল গ্রুপ যারা যাচ্ছে তাদের ভেতরও অবশ্য মেয়ে দেখি নি তেমন।
সবারই দেখলাম আমাদের নিয়ে আগ্রহ, বিশেষ করে নারীদের কারণটা আর কিছু নয় কিভাবে আমরা একা যাচ্ছি। কক্সবাজারে যাবার পথে বাসে তো একজন বলেই ফেললো, " কখনো আমি আমার মেয়েকে নিয়ে একা ঘুরতে পারবো না, অসম্ভব। " আর জাহাজে ওই ভদ্রমহিলা বারবার জানতে চাচ্ছে কিভাবে একা যাচ্ছি? স্বামী কোথায়, কি করে? আমি বললাম সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত সুতরাং সেন্ট মার্টিন দেখার আগ্রহ আমাদের তাই আমরা দুজনেই যাচ্ছি। কেন এতে কি কোন সমস্যা আছে?
আমারতো খুবই ভাল লাগছে, আমার মতো করে আমি স্বাধীনভাবে বেড়াচ্ছি, যা ইচ্ছে তা খাচ্ছি, নিজের মতো করে যেখানে ইচ্ছে সেখানে যাচ্ছি...আমিতো কোন সমস্যায় পড়ছি না? তখন ১৯৯৭ সালের কথা মনে হলো। বিয়ের পর জীবনের প্রথম কক্সবাজার যাওয়া। স্বামীর বন্ধুদের পরিবারের গ্রুপ। নিজের কোনই স্বাধীনতা নেই। যা খাব তার ইচ্ছায়। কেনাকাটা করবো তাও তার ইচ্ছায়। সারাক্ষণ সে তার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেয়া, মদ খাওয়া নিয়ে আনন্দে ব্যস্ত অথচ আমাদের কোনই স্বাধীনতা নেই নিজের মতো করে একা ঘুরে বেড়াবার। সেই গ্রুপে নারীদের কারোই তেমন কোন স্বাধীনতা দেখি নি।
মেয়েদের আসলে পুরুষের উপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীলতাই এ জন্য দায়ী।
প্রতিটি মেয়েরই প্রথম কর্তব্য নিজেকে শিক্ষিত করা, কাজ করার মানসিকতা অর্জন
করা। অলসতা পরিহার করে মানুষের জীবন যাপন করা। নিজে পরিশ্রম করে আয় করা
তাহলে সে মুক্তি পাবে নতুবা পুরুষ খাওয়া-পড়ার বিনিময়ে নারীকে অর্ধাঙ্গী মনে
করবে আজীবনই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন